শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান ২০২০ এর তালিকা বরণ ও বারণের শিক্ষায় সমুজ্জ্বল শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা আগামীকাল প্রবারণা পূর্ণিমা, শুক্রবার থেকে কঠিন চীবর দানোৎসব রামু ট্র্যাজেডির ৮ বছর: বিচার নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে প্রার্থনা অনোমা সম্পাদক আশীষ বড়ুয়া আর নেই প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রে ধারন হল বিশেষ আলেখ্যানুষ্টান বৌদ্ধ ধর্মকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হাত মেলালো ভারত-শ্রীলঙ্কা রাঙ্গামাটিতে থাইল্যান্ড থেকে আনিত দশটি বিহারে  বুদ্ধমূর্তি বিতরণ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময়
সম্মানের জায়গাটা অর্জন করেছি মানুষের জন্যে কাজ করেই: বিপ্লব বড়ুয়া

সম্মানের জায়গাটা অর্জন করেছি মানুষের জন্যে কাজ করেই: বিপ্লব বড়ুয়া


বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্রের জন্যে লড়াইয়ের কথা বলা হলেও ক’জন নেতা সত্যিকারের গণতন্ত্রের জন্যে নিজেকে উজাড় করে দিতে পেরেছেন, সেই প্রশ্ন তুললে খুব বেশি দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না। তবে সংখ্যায় নগণ্য হলেও কেউ কেউ দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠেন।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবাই এমপি হতে চাওয়ার প্রবণতার যে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে তার বিপরীত স্রোতে দাড়িয়েছেন ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-দপ্তর সম্পাদক।
আওয়ামী লীগের ৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সবাই আসন্ন সংসদ নির্বাচনে দলটির মনোনয়ন ফরম কিনলেও ব্যতিক্রম কেন্দ্রীয় এ নেতা।
মনোনয়ন না চাওয়ার এই ব্যতিক্রমী ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত থাকার পরও মনোনয়ন ফরম কিনলেন না কেন জানতে চাইলে ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, আমি এমপি না হলেও দলের সেবা করার সুযোগ পাচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে রেখেছেন। এই সম্মানের জায়গাটা আমি অর্জন করেছি মানুষের জন্যে কাজ করেই। তাছাড়া ৩০০ আসনে যারা মনোনয়ন পাবে তাদের নির্বাচনে প্রচারের কাজে সমন্বয় করার জন্যে আমার দায়িত্ব আছে।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচন করতে গেলে মানুষের যে সমর্থন থাকতে হয় তা আমার এখনো নেই বলে মনে করি। আমার নির্বাচনী আসনে অনেক যোগ্য প্রার্থী আছেন। দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। ভোটের সময় নানা রকম কাজকর্ম থাকে। সেগুলো পরিচালনার করতেও লোকবল প্রয়োজন। সব মিলিয়ে আমি চাই এমপির মত গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ্যতা সম্পূর্ণ লোকরা নির্বাচিত হোক সেই ভাবনা থেকেই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার বড়হাতিয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। সাতকানিয়া আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সুনীল কান্তি বড়ুয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তিনি। যুক্তরাজ্যের উল্ভারহ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলবি (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন।
যুক্তরাজ্যের সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স (পিজিডিএল), যুক্তরাজ্যের কল টু দ্যা বার ‘দ্যা অনারেবল সোসাইটি অব গ্রেস ইন’ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাধীন বাংলাদেশে বাঙালি বৌদ্ধদের মধ্যে সর্বপ্রথম এবং একমাত্র ব্রিটিশ কোয়ালিফাইড ব্যারিস্টার।
তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। সাতকানিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক, সাতকানিয়া থানা ছাত্রলীগের এডহক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্রলীগ সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বিপ্লব বড়ুয়া। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জাতীয় কমিটির সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। ২০১৬ সালের ২৯ আগস্ট ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৮১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে সদস্য ঘোষণা করা হয়েছিল। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে তাকে পদোন্নতি দিয়ে উপ দপ্তর সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।
উপ-দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নিজের সবটুকু দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। অল্প দিনে তৃণমূল নেতাদের আশার প্রদীপ হয়ে তিনি আলো ছড়াচ্ছেন। একজন তরুণ হিসাবে দলীয় সভানেত্রী যে আস্থা রেখেছেন বিপ্লব বড়ুয়ার কাছে তার মূল্য দিচ্ছেন রাত দিন দলের জন্য কাজ করার মাধ্যমে।

Facebook Comments

শেয়ার করুন


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *





© All rights reserved © 2018 tathagataonline.net
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com
error: কপি করার চেষ্ঠা না করে নিজের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ করুন
Don`t copy text!