বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৪:০৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান ২০২০ এর তালিকা বরণ ও বারণের শিক্ষায় সমুজ্জ্বল শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা আগামীকাল প্রবারণা পূর্ণিমা, শুক্রবার থেকে কঠিন চীবর দানোৎসব রামু ট্র্যাজেডির ৮ বছর: বিচার নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে প্রার্থনা অনোমা সম্পাদক আশীষ বড়ুয়া আর নেই প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রে ধারন হল বিশেষ আলেখ্যানুষ্টান বৌদ্ধ ধর্মকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হাত মেলালো ভারত-শ্রীলঙ্কা রাঙ্গামাটিতে থাইল্যান্ড থেকে আনিত দশটি বিহারে  বুদ্ধমূর্তি বিতরণ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসনের সাথে মতবিনিময়
বৈশাখী বড়ুয়া’র একক সংগীত সন্ধ্যা

বৈশাখী বড়ুয়া’র একক সংগীত সন্ধ্যা


সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ভিড় জমতে শুরু করলো সঙ্গীতপ্রেমীদের। মুক্তমঞ্চের সামনের খালি চেয়ারগুলো ক্রমশ ভরে গেল শিল্পী, কবি, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষে। মুখরিত হলো পুরো শিল্পকলা প্রাঙ্গণ।

সন্ধ্যা সাতটায় মঞ্চে এলেন শিল্পী বৈশাখী বড়ুয়া। সঙ্গে তার সহ যন্ত্রশিল্পীরা। শিল্পী বরুণ বিকাশ বড়ুয়ার পরিচালনায় শুরু হয় একক সঙ্গীতানুষ্ঠান।

‘মাগো আর তোমাকে’ গান দিয়ে শুরু হলো বৈশাখীর পরিবেশনা। প্রথম গানেই বাজিমাত। মায়াবী কন্ঠের জাদুতে মুগ্ধ করলেন উপস্থিত সবাইকে। এরপর একে একে গাইলেন ‘মায়াবতী মেঘে এলো তন্দ্রা’, ‘চোখের পাতায় রোদের ঝিকিমিকি’, ‘যারে উড়ে যারে পাখি’, ‘ও বাঁশি কেন গায়’, ‘তুমি না হয় রহিতে’, ‘ওগো বৃষ্টি আমার’, ‘মধু মালতী’। চর্চিত কণ্ঠ, শৈল্পিক গায়কীতে প্রতিটি গানেই ছিল শিল্পী সাবলীল। দশর্কদের ভালোবাসায় বৃহস্পতিবারের (০১ মার্চ) সন্ধ্যাটি হয়ে উঠলো বৈশাখী বড়ুয়ার। আর তার সুরেলা কণ্ঠজাদুতে মুগ্ধ শিল্পকলা ভর্তি সঙ্গীতপ্রেমীরা।

এ সংগীতানুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক মনোজ সেনগুপ্ত। প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক অনুপ কুমার বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন পণ্ডিত স্বর্ণময় চক্রবর্তী, অধ্যাপক ড. অর্থদর্শী বড়ুয়া, জিটিভির ব্যুরো চিফ অনিন্দ্য টিটো, আরটিভির ব্যুরো প্রধান সরোয়ার বাবু ও আকবর শাহ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) উৎপল বড়ুয়া।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রবীণ নাট্যকর্মী উৎপল বড়ুয়া, অধ্যাপক অজিত কুমার দাশ, গীতিকার জিকে দত্ত, শিল্পী হিল্লোল বড়ুয়া, তাপস বড়ুয়া। সঙ্গীত পরিচালনায় ছিলেন বরুণ বিকাশ বড়ুয়া ও অনুপ্রভা বড়ুয়া লীনা।

মনোজ সেনগুপ্ত বলেন, বৈশাখীর কণ্ঠে সত্যিকারের শিল্পীর ছাপ পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রতিটি গানেই তিনি সাধনার ছাপ রেখেছেন। এটি একজন শিল্পীর বড় সার্থকতা। তার একাগ্র সাধনার এ পথচলা একদিন তাকে এনে দেবে সফলতা। সুরের জাদুতে স্থান করে নেবে সঙ্গীতজগতে।

Facebook Comments

শেয়ার করুন


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *





© All rights reserved © 2018 tathagataonline.net
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com
error: কপি করার চেষ্ঠা না করে নিজের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ করুন
Don`t copy text!